Wednesday, August 28, 2013

পরোক্ষ ধূমপান থেকে নারীদের রক্ষায় কর্মক্ষেত্রে ধূমপান নিষিদ্ধ জরুরী



আমাদের দেশে নারীদের মাঝে এখনো ধূমপানের ব্যবহার কম। তবু ৩০% নারী কর্মস্থলে ও ২১% নারী পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গৃহেও নারীরা পরোক্ষ ধূমপানের শিকার। নিজে ধূমপান না করলেও কর্মস্থলে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে নারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের পাবলিক প্লেস সংজ্ঞায় কর্মক্ষেত্র, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও রেষ্টুরেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি হতে রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।

 তামাকের কারণে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে নারীসহ শিশুরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নারীরা শুধূমাত্র পরোক্ষ ধূমপানের কারণেই নয়, তামাক উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত করণসহ সকল কাজে নারীসহ শিশুদের সমৃক্ত করার কারণে তারা স্বাস্থ্যক্ষতিসহ বিভিন্ন ক্ষতির সম্মুক্ষীন হচ্ছে। তাই তামাকের ক্ষতিকর দিক থেকে নারীদের রক্ষায় প্রদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন। তবে এজন্য সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণে যে আইন করেছেন তা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সকলকে সচেতন হতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের ফলে বেশ ইতিবাচক অনেক প্রভাব পড়েছে। যেমন পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপান হ্রাস পেয়েছে, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন আর দেখা যায় না। বর্তমানে সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, টাস্কফোর্স সক্রিয়করণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ এ সকল কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম |

নারীদের তামাক ব্যবহারের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে উঠে আসে না। তামাক পিছনে অর্থ ব্যয় করার করার নারী ও শিশুদের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও খাদ্য সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করার পর দেশে প্রত্যক্ষ বিজ্ঞাপন বন্ধ হলেও দেশে এখন নাটক সিনেমাসহ বিভিন্নভাবে পরোক্ষ বিজ্ঞাপন প্রচলিত আছে, এগুলো বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আমাদের দেশে নারীরা পরোক্ষ ধূমপানের সম্মুখিত হচ্ছে। তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নারীদের রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

এতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের পাবলিক প্লেস ও পরিবহনের সংজ্ঞায় কর্মক্ষেত্র; বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও রেষ্টুরেন্ট; অযান্ত্রিক যানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পৃক্ত, জর্দ্দা-গুল-সাদাপাতাসহ সকল তামাকজাত দ্র্রব্যকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা, তামাকজাত দ্রব্যের উপর কর বৃদ্ধি, তামাক বিরোধী সচেতনতা জোরদার করা প্রয়োজন।

Saturday, August 24, 2013

সিগারেটের প্যাকেটের মোড়কে ছবিসহ সতর্কবাণী ধূমপান রোধে সহায়ক হবে


সিগারেট-বিড়ির প্যাকেটের মোড়কে কিছুদিনের মধ্যেই আইনের মাধ্যমে ছবি সংবলিত সতর্কবাণী প্রবর্তন হতে যাচ্ছে। সিগারেটের মোড়কে ছবি থাকলে ধূমপান কমাতে সহায়ক হবে। কারণ যারা লিখতে পড়তে পারেন না, তারা ছবি দেখে ধূমপানের ক্ষতিকর দিকটি উপলব্ধি করতে পারবেন। কারণ কথায় বলে, হাজার শব্দের চেয়ে একটি ছবি অনেক শক্তিশালী। তবে ছবি হতে হবে স্পষ্ট ও স্বচ্ছ। ছবিকে অবশ্যই বক্তব্যধর্মী হতে হবে। বর্তমানে সিগারেট, বিড়ির প্যাকেটের মোড়কে শুধু সতর্কবাণী রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে যখন প্রথম পিকটোরিয়াল ওয়ার্নিংয়ের আইন হলো, তখন দেখা গেল, ছবিগুলো খুবই দুর্বল। তাই বাংলাদেশে তামাকের মোড়কে যে ছবি দেয়া হবে তা যেন স্পষ্ট হয়। ছবিগুলোতে খুব বোল্ডলি (শক্তিশালী) ধূমপানের ক্ষতিকারক ভূমিকার বর্ণনা না থাকলে এ উদ্যোগ ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই ছবিগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।

এ সম্পর্কে বেসরকারি সংগঠন ডাব্লিউবিবির মিডিয়া এডভোকেসি অফিসার সৈয়দ সাইফুল আলম বলেন, তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে সচিত্র সর্তকবাণী থাকলে সেবনকারীদের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা সম্ভব। একটি ছবি হাজার শব্দের চেয়ে শক্তিশালী। গবেষণায় দেখা গেছে, তামাজাত দ্রব্যের মোড়কে স্বাস্থ্য ক্ষতির ছবি সেবনকারীকে তামাক ব্যবহার না করতে উদ্বুদ্ধ করে। তাছাড়া আমাদের দেশের নিরক্ষর মানুষ বেশি ধূমপান করে। তারা পড়তে জানে না। ছবি থাকলে তারা তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পারবে।

বর্তমানে পৃথিবীতে প্রতি বছর ৬০ লাখ মানুষ তামাকজনিত কারণে মারা যাচ্ছে, যার মধ্যে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়ে মারা যায় ৬ লাখ ধূমপায়ী। এখনই তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ২০৩০ সাল নাগাদ এ মৃত্যুর সংখ্যা ৮০ লাখে দাঁড়াবে।

কানাডা, ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড সিগারেটের প্যাকেটে ১০০% সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কীকরণ বাণীর ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশে সিগারেটের প্যাকেটে ও বিজ্ঞাপনে ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকরÑ এ সর্তকবাণী প্রদান করা হয়। এ সর্তকবাণী মানুষের কোনো কাজে আসে না। কারণ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বেশির ভাগ ধূমপায়ী তামাকের কারণে কোন কোন রোগ হয় তা জানে না। তাই প্যাকেটে কোন কোন রোগ হয় তাও লেখা দরকার। এমনকি তামাকজাত সামগ্রীর গায়ে কি ধরনের রোগের ছবি ও লেখা যাবে তা আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। তামাকজাত সামগ্রীর গায়ের সতর্কবাণী থেকে তামাকজনিত রোগ সম্পর্কে যাতে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়, সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

সিগারেটের প্যাকেটসহ অন্যান্য তামাকজাত সামগ্রীর প্যাকেট/কৌটার ৫০ ভাগ স্থানজুড়ে ছবিসহ সতর্কীকরণ বাণী প্রদানের ব্যবস্থা প্রচলন করতে হবে। এতে একদিকে ধূমপায়ীদের ধূমপান ত্যাগে উৎসাহিত এবং অধূমপায়ীদের ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা সম্ভব হবে।

তামাকজাত সামগ্রীর এসব সতর্কবাণী যাতে সময়ানুযায়ী পরিবর্তন করা যায় সে ব্যবস্থাও করতে হবে। অর্থাৎ বার্ষিক তামাকজাত সামগ্রী উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে সতর্কবাণী পরিবর্তনের ব্যবস্থা করা। তামাকজাত সামগ্রীর গায়ে স্বাস্থ্যবাণী প্রদানের ও পরিবর্তনের ক্ষমতা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রদান করতে হবে। প্যাকেটের গায়ে ‘লাইট’, ‘মাইল্ড’, ‘লো-টার’, ‘রেগুলার’ জাতীয় বিভ্রান্তিকর শব্দ নিষিদ্ধ করতে হবে।

বহুজাতিক তামাক কোম্পানিগুলো আমাদের দেশে যে ধরনের সিগারেটের প্যাকেট ব্যবহার করতে পারে, তা পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে ব্যবহার করতে পারে না। একই ব্র্যান্ডের সিগারেটের প্যাকেটে অনেক উন্নত দেশে ছবিসহ সতর্কবাণী প্রদান করতে হয়। উন্নত দেশ অপেক্ষা আমাদের শিক্ষার হার কম থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশে তাদের স্বাস্থ্য সতর্কবাণী খুবই দুর্বলভাবে উপস্থাপন করে।

আমাদের দেশের লোকজনের জন্য দেশের উপযোগী স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ব্যবহার করা উচিত। তবে এ দায়িত্ব অবশ্যই তামাক কোম্পানিকে প্রদান করা যাবে না। আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের সতর্কবাণী একটি কার্যকর উপায়। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সরকার এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে কিংবা করতে যাচ্ছে।

http://www.alokitobangladesh.com/development-possibility/2013/08/25/18349/print

Wednesday, July 24, 2013

Every year 57,000 people die and 3, 82,000 people become disabled for tobacco consumption.


Every year 57,000 people die and 3, 82,000 people become disabled for tobacco consumption. Saving 57,000 lives and active & healthy life of 4, 00000 people or Revenue; what is crucial?

Mobile courts: An innovative approach to implementing tobacco control law

Bangladesh passed a tobacco control law in 2005. One important initiative for implementation is mobile courts. Mobile courts operate by bringing the court (magistrate) to the offender, rather than vice versa. They involve legal action with limited power performed instantly and mobile; the law defines which acts it can address. While often used for violations involving food, mobile courts also play a vital role in implementing the tobacco control law.
Enforcement requires effective monitoring. In Bangladesh, NGOs monitor tobacco company activities and submit reports to government on law violation. Legal authority, with the help of a mobile court, can then remove illegal tobacco advertisements and charge companies for law violation, and fine those smoking in prohibited areas.
Mobile courts have played a significant role in removing illegal cigarette advertisements at retail shops. Mobile courts also contribute to creating mass awareness. Smoking has been banned in most public places and public transport but lack of awareness hampers implementation. Running mobile courts increases awareness of the law and encourages people to respect it, contributing to creation of more smoke free places.
Though framing law is the duty of government, it is the duty of all to help in implementation. It is difficult for government alone to ensure proper compliance and enforcement. Mobile courts, supported by monitoring by NGOs to identify violations, serve as a useful device for law implementation in Bangladesh. They also can raise awareness that will increase compliance and thus make law enforcement easier and more successful.

Sunday, June 30, 2013

গোয়ালন্দে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবসে অবস্থান কর্মসূচী ও লিফলেট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত।।



তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন,প্রচারনা ও পৃষ্ঠপোষকতা নিষিদ্ধ আইন অমান্যে জরিমানা ১ লক্ষ টাকা এ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে ৩১মে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে  রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে বেসরকারী সংস্থা একলাব ও ডাস্ বাংলাদেশ, তামাক বিরোধী জোট  যৌথ উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচী ও লিফলেট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটে সকাল ১০টা থেকে ১১টা এবং ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে অবস্থান কর্মসূচী ও লিফলেট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন ডাস্ বাংলাদেশের চেয়াম্যান অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম লিন্টু, প্রকল্প পরিচালক হেলাল মাহমুদ, অধ্যাপক আওয়াল আনোয়ার, একলাব প্রতিনিধি, উপজেলা ওয়ার্কাস পাটীর সম্পাদক শুকুমার মন্ডল, শ্রমিক নেতা শাজাহান শেখ সহ স্থানীয় জনতা। কর্মসূচীর সংবাদ সংগ্রহের জন্য দৈনিক ইত্তেফাক, যুগান্তর ,কালের কন্ঠ,প্রথম আলো, ভোরের কাগজ, রাজবাড়ীকন্ঠসহ সহ স্থানীয় পত্রিকার স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং এ সংক্রান্ত সংবাদ দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক রাজবাড়ীকন্ঠ,সাপ্তাহিক অনুসন্ধান সহ স্থানীয পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।


Tuesday, May 28, 2013

Polling centres free from smoking: CEC

Polling centres free from smoking: CEC

Chief Election Commissioner (CEC) Kazi Rakibuddin Ahmed has said that all the polling centers of the country are free from smoking according to the rule of the Election Commission (EC). Smoking is completely prohibited in the areas of polling centers, he added. 
He told this to a delegation of Bangladesh Anti-Tobacco Alliance (BATA) when it met him at his office in the city on Monday. On behalf of BATA, secretary general of Pratyasha Madok Birodhi Songothon Helal Ahmed, Sagufta Sulatana of NATAB, Syeda Ananya Rahman and Syed Mahbubul Alam Tahin of WBB Trust were in the delegation.

Vice chancellor of Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU) Dr Pran Gopal Datta, EC secretary Dr Md Sadik and joint secretary Jesmin Tuli were also present at the meeting.
The representatives of the delegation requested CEC to take initiative to prohibit smoking and the use of tobacco-produced goods during the election campaign. Mentioning the negative impacts of tobacco, they also requested to declare all the offices under the EC as 'smoking free'.

The CEC assured them to consider the recommendations. He emphasised the need for creating awareness through media campaign about the negative impacts of tobacco.
Dr Pran Gopal Datta said the tobacco-produced goods are used during the election campaign, which encourage the people to use it. Mentioning that chewing tobacco is one of the reasons behind the deadly disease 'cancer', he said that the use of tobacco during election campaign hampers the anti-tobacco activities.   



http://thenewnationbd.com/newsdetails.aspx?newsid=75236

Sunday, March 31, 2013

খুলনায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত



“তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন,প্রচারণা ও পৃষ্ঠপোষকতা নিষিদ্ধ” প্রতিপাদ্য বিষয়ের আলোকে খুলনাতে বিভাগীয় পর্যায়ে ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়। খুলনা জেলা টাস্কফোর্স, এ্যাকশান ইন ডেভেলপমেন্ট-এইড, সিয়াম,টঋঅঞ, আলোর দিশারী,উইশ, সুবাস, তামাক বিরোধী জোট সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এর উদ্যোগে সকাল ১০.০০ টায় স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা শেষে সকাল ১২.৩০ টায় এক বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

খুলনা সিটি রেড ক্রিসেন্ট সাধারণ সম্পাদক মল্লিক আবিদ কবীর এর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার দীপক রঞ্জন বিশ্বাস, এইড এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ দোয়া বখ্শ শেখ, টঋঅঞ এর পতিনিধিও আলোর দিশারী’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন, স্বাগত বক্তব্য রাখেন এইড’র সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী তৌহিদুর রহমান ডিটো।
এছাড়াও বক্তব্যে রাখেন সিয়াম’র সভাপতি আকবর আলী, ধ্রুব’র পরিচালক এম এ এইচ আযম, সুবাস বি এল কলেজের সভাপতি ইয়াছির আরাফাত মিঠু, খূলনা বিশ্ববিদ্যালয় এর সভাপতি নুরুল আলম, রেড ক্রিসেন্ট সিটি ইউনিটের উপ যুব প্রধান সুমা রাণী মন্ডল, বক্তারা  বলেন তামাকের আগ্রাসন থেকে জন স্বাস্থ্য  রক্ষার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সচেতন করতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রন আইনের সংশোধনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন,প্রচারণা ও পৃষ্ঠপোষকতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অতিথিগণ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের লক্ষে দ্রুত সংশোধিত আইনের বিধি প্রনয়নের এবং আসন্ন বাজেটে তামাকজাত দ্রব্য’র উপর কর বৃদ্ধি করার আহবান জানান। সাথে সাথে টাস্কফোর্স কমিটিকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে আইনের বাস্তবায়নে আন্তরিক হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস কে সামনে রেখে এইড এর তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ধূমপানমুক্ত প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হয়। এছাড়াও খুলনা জেলার বিভিন্ন স্থানে লিফলেট ক্যাম্পেইন,স্টিকার ক্যাম্পেইন, পাবলিক প্লেসে ধূমপানমুক্ত সাইন বিতরণ, পোস্টার ক্যাম্পেইন,মোবাইল কোর্ট এর মধ্য দিয়ে সকল কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানসমূহ সমন্বয় সাধন করেন তামাক বিরোধী জোটের নেতা শাহ-আরাফাত রাহিব,এইডের তামাক নিয়ন্ত্রন প্রকল্পের কর্মকর্তা তৌহিদ-উদ-দৌলা রেজা,সিয়ামের নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাছুম বিল্লাহ।